রেল স্টেশনে সিঁড়িতে আঁকা ফিরোজ মিনার নিয়ে বিতর্ক

0
223

মালদা, ৩ জানুয়ারি : রেল স্টেশনে সিঁড়িতে আঁকা ফিরোজ মিনার নিয়ে বিতর্ক জেলা জু

রে। মালদা টাউন স্টেশনে এক প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্য প্ল্যাটফর্মে যাওয়ার ফুট ওভার ব্রিজে আঁকা হয়েছে জেলার ঐতিহ্য ও অন্যতম স্থাপত্য ‘‌ফিরোজ মিনার’‌। সিঁড়িতে উঠতে মিনারে পা মারিয়ে যেতে হচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষের এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ইতিহাসবিদরা। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রেলযাত্রীরাও। তাঁদের দাবি, ‘‌অবিলম্বে মিনারের ছবি সেখান থেএ মুছে ফেলা। সৌন্দর্যায়ানের নামে জেলার ঐতিহ্য নিয়ে ছেলে খেলা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।’‌ অভিযোগ জানানো শুরু হয়েছে বিভিন্ন পক্ষ থেকে। এই ঘটনায় অস্বস্তিতে রেল কর্তপক্ষ।
গৌড় জেলার অন্যতম ইতিহাস বিজড়িত স্থান। সেখানে কিছু স্থাপত্য কীর্তিগুলির মধ্যে অন্যতম ‘‌ফিরোজ মিনার’‌। ১৫.‌৬ মিটার উচ্চতা মিনারের। মিনারেরে মাথার উঠতে গেলে ৭৩টি সিঁড়ি ভাঙতে হয়। কয়েক বছর আগেও এটি সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। সংস্কারের অভাবে কিছুটা দূর্বল হয়ে পড়ে। তার ফলে এখন মিনারের প্রবেশ দ্বার বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে এই মিনারটি এখন জেলাবাসীর গর্ব। ১৪৮৬-‌৮৯ সালের মধ্যে এটি নির্মাণ হয়। তখন নবাব ছিলেন নৈফুদ্দিন ফিরোজ। তার নেমেই পরিচিত এই মিনারটি।
প্রতিবাদ করেন স্থানীয় যুব তৃণমূল নেতা প্রসেনজিৎ দাস। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,‘‌মালদার ঐতিহ্যকে পায়ের তলায় এনে মূর্খামির পরিচয় দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। কিছুতেই তা মেনে নেওয়া যায় না। হ্যাঁ, সৌন্দর্যায়ন করতে হলে, এত দেওয়াল ছিল, সেখানে অনায়াসে করাই যেত। লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।’‌ এক রেলযাত্রী রাজিব মুন্সী ও কৌশিক মিত্র অভিযোগ করে বলেন,‘‌ফুট ব্রিজের সিঁড়িতে উঠতে দশবার ভাবতে হচ্ছে। আমার মতো অনেই থমকে দাঁড়িয়ে পড়ছেন। এটা মুছে ফেললে ভাল হয়।’‌ মালদা টাউন স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার দিলীপ চৌহান বলেন,‘‌সিঁড়ির বিটগুলিতে আঁকা হয়েছে। সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় এখানে পা দেওয়ার ব্যাপার নেই। আমাদের কাছেও এসেছে। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।